অবৈধ শিশু খাদ্য ও জুস তৈরীর কারখানা
অবৈধ শিশু খাদ্য ও জুস তৈরীর কারখানা

আশুলিয়ায় অবৈধ শিশু খাদ্য ও জুস তৈরীর কারখানা সন্ধান

সাঈম সরকারঃ ভয়ংকর মহামাড়ি করোনায় সাড়া বিশ্ব নিস্তব্ধ। এই দূর্যোগ ময় মূহুর্তে দিশেহারা ঘর বন্ধি মানুষ। জীবন ও জীবিকার করুন অবস্থায় অ-পুষ্টিতে ভুগছে সর্ব সাধারণ । বেড়ে চলছে ব্যপক স্থাস্থ্যঝুঁকি।

 অবৈধ শিশু খাদ্য ও জুস তৈরীর কারখানা

অবৈধ শিশু খাদ্য ও জুস তৈরীর কারখানা

এমত অবস্থায় ভয়াল করোনা মোকাবেলায় স্বাস্থ্যঝুঁকি ঠেকাতে খাদ্যদ্রব্য ও খাদ্য পণ্যের প্রতি সরকারী ভাবে বাড়ানো হয়েছে কঠোর নজরদাড়ি। সরকারী ভাবে কঠোর নজরদাড়ি থাকা সত্তে¡ও থেমে নেই এক শ্রেণীর অসাধু অসৎ ব্যবসায়ী মহল। তারা সরকারে নিয়ম নীতির ত্বক্কা না করে নিজেদের অনুমতিবিহীন অবৈধ কারখানায় অবাধ উৎপাদন করে চলছে বিভিন্ন রকম ভেজাল খাদ্য পণ্য।

শিল্পাঞ্চল আশুলিয়া বিভিন্ন স্থানে এবং বিভিন্ন চটকধারী নামে বেনামে গড়ে উঠেছে এসব কারখানা গুলো। হরেক রকম রং ও ফ্লেবার দ্বারা অবৈধ ভাবে তৈরী হচ্ছে তরল জাতীয় ভেজাল খাদ্য পণ্য।

যাহা শিশু সহ সব বয়সের লোকই খেয়ে থাকে। খোজ নিয়ে জানা যায় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ছত্র-ছায়ায় নিজেদের নামের পূর্বে শেখ ব্যবহার করে, গোপালগঞ্জের পরিচয়ে এবং প্রসাশনের উচ্চ পর্যায়ের সম্মানিত ব্যক্তিদের নাম ভাঙ্গিয়ে দীর্ঘ দিন যাবৎ টুংগী ও আশুলিয়া এলাকায় অবৈধ পণ্য উৎপাদনে বাজারজাত করে আসছিল। ইতিপূর্বে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে এই সব কারখানাগুলো সিলগালা করা সহ জরিমানা করা হয়।

তবুও থেমে নেই! কোম্পানির নাম অলটাইম ব্রান্ড (বসুন্ধরা) নাম ব্যবহার করে বর্তমানে, আশুলিয়ায় চানগা বড় মসজিদ রোড এলাকায় মোঃ সিহাব এবং আল শাহী এগ্রো ফুড এন্ড বেভারেজ কাঠগড়া দোকাটি এলাকায় মামুন ও মোতালেব নামে ব্যক্তি গং এ ধরনের কারখানা গড়ে তুলেছে। তৈরী হচ্ছে শিশুদের নজর হরণ করা আইসললি, আইসপপ, রবট হাই, স্প্রীড, মটু পাতলু, ফুটো ম্যাংগো জুস সহ বাহাড়ী রঙ্গের চটকধারী ১০/১৫ টি ভেজাল পণ্য।

পণ্য তালিকায় উপরোক্ত পন্য দিয়ে সাজিয়ে বাজারে সয়লাভ করে চলছে তারা। ঐ সব ভেজাল ও তরল জাতীয় খাদ্য খেয়ে শিশু সহ সব বয়সের ৬০% মানুষ রয়েছে ব্যপক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে। ভেজাল খাদ্য পণ্য উৎপাদন মূলক কারখানার মালিক সিহাবকে পন্য উৎপাদনের বৈধতা সম্পর্কে মুটো ফোনে জানতে চাইলে সংবাদ কর্মীদের সাথে উল্টা পাল্টা কথা বলে এবং তথ্য দিতে না রাজি হয়।

এ ব্যপারে বি.এস.টি.আই এর অফিসে ফোন দিয়ে জানতে চাইলে দ্বায়িত্বরত কর্মকর্তা রিয়াজুন সাহেব জানায় ঐ মালিক গং এর নামে এতগুলো পণ্যের কোন বি.এস.টি.আই এর অনুমোতি দেওয়া আছে কি না আমার জানা নাই। আমি না দেখে কিছু বলতে পারছি না। যদি অনুমোদিত বা অনুমোতি বিহীন হয়ে থাকে আমরা আইনানুগ যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category